skip to the main content area of this page

চাঁপাই নবাবগঞ্জ ঐতিহাসিক স্থান

রেশম বীজাগারের চিমনী

ভোলাহাট থানা ভবনের দক্ষিণ পাশে রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের চত্বেও ঊনিশ শতকের প্রথম দিকে তৈরী চিমনীটির অবস্থান। এর উচ্চতা ৪৫ ফুট প্লিস্থ (ভিত) ৪ ফুট উঁচু। প্রতিটি বাহুর পরিধি ৮.৫ ফুট। চিমনীটির ৩৬ ফুটের মাথায় গোলাকৃতি খিলান তৈরী কেও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। খিলনের দৈর্ঘ্য ২ ফুট এর ওপেও ৩ ফুট গোলাকৃতি ভাবে ইটগাঁথা রয়েছে। চিমনীটি ইটের তৈরী। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি নীল উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হত।

ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ

শিবগঞ্জ উপজেলার ফিরোজপুর মৌজায় অবস্থিত এই মসজিদ সুততানী আমলের স্থাপত্য কলার অপূর্ব নির্দশন। এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ৮২ x ৫২ ফুট এবং এর উচ্চতা ২০ফুট। সুলতান আলা-উদ-দীন হোসেন শাহ্‌ - এর রাজত্বকালে (খ্রিঃ ১৪৯৩-১৫১৯) জনৈক আলীর পুত্র ওয়ালী সুহম্মদ কর্তৃক ছোট সোনামসজিদ নির্মিত হয়। মসজিদটি পাথর দ্বারা নির্মিত।

ধানাইচকের মসজিদ

খঞ্জন দীঘি মসজিদেও ধ্বংসাবশেষের একটু দূরে রয়েছে ধানাইচকের মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। এতে ৩টি M¤^yR ছিল। মেহরাবে ছিল অতিসুন্দর লতাপাতা ও ফলের কাজ। এ মসজিদটিকেও ১৫ শতকে নির্মিত বলে পণ্ডিতেরা অনুমান করেন। তবে এর নির্মাতাকে এ সম্পর্কে কোন তথ্য জানা যায়নি।

চাঁপাই জামে মসজিদ

চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁপাই গ্রামে এই প্রাচীন মসজিদটি অবস্থিত। ৮১৩ হিজরীতে এটি নির্মিত হয় বলে গবেষকেরা অনুমান করেছেন। আলী ওয়াজ খিজির খান নামক জনৈক ব্যক্তি এই মসজিদেও নির্মাতা বলে মসজিদপাত্রে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে জানা যায়।

তোহাখানা

তিন গম্ভুজ মসজিদেও সামনে সুলতান শাহ সুজা নির্মিত ভগ্নপ্রায় ইমারতটি মোহঘল আমলের এক বিশিষ্ট কীর্তি। ইট নির্মিত এই ইমারতটি ‘তোহাখানা’ নামে প্রসিদ্ধ। এর দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণ ১১৬ ফুট এবং প্রস্থ ৩৮ ফুট। এতে বেশ কয়েকটি বড় কামরা ও উভয় পার্শ্বে বারান্দা রয়েছে।

তিন গম্ভুজ মসজিদ

শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহ (রাহঃ) এর মাজারের প্রবেশ পথে তিনটি গম্ভুজ বিশিষ্ট জুমা মসজিদটি মোঘল যুগের একটি বিশিষ্ট কীর্তি। এতে ৩টি প্রবেশ পথ ও ভেতরে তিনটি মেহরাব রয়েছে। মসজিদটির নির্মাণকাল আনুমানিক ১৬৬০ খ্রিঃ। এর দৈর্ঘ্য ৩৬ ফুট ৬২ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ২৪ ফুট ৯ ইঞ্চি।

বালুয়াদীঘি বা বালিয়া দীঘি

সোনা মসজিদে চেকপোস্টেও সন্নিকটে এই দীঘি অবস্থিত। সেন বংশীয় রাজা বল্লাল সেন (১১৫৮-১১৫৯ খৃঃ) এই দীঘিটি খনন করান বলে জানা যায়। বালুকাময় জলাশয় ফলেই নাম ‘বালায়াদীঘি’ হয়েছে বলে অনেকেই বলে থাকেন। এটিই এ অঞ্চলের সর্বাপেক্ষা বড় দীঘি।

এক গম্ভুজ বিশিষ্ট ইমারত

রহনপুরে ‌‌অবস্থিত নওদার স্তপের সন্নিকটে এই এক গম্ভুজ বিশিষ্ট ইমারতটি অবস্থিত। এটি কেন নির্মিত হয়েছিল নিশ্চিতভাবে তা কেউ বলতে পারেন না। এটিকে সেন আমলের স্থাপত্য শিল্প / মন্দিও বলে অনেকেই মনে করেন।

প্রচীন তেঁতুল গাছ

নাচোল উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের সুরলা গ্রামের অবস্থিত প্রায় ৫০০ বছর বয়সী তেঁতুল গাছ। কেউ সঠিকভাবে এই গাছের বয়স বলতে পারেন না, তবে অভিজ্ঞ মহলের মতে কমপক্ষে ৫০০ বছর বয়স হবে এ গাছের। গাছটির মূলকাণ্ড বহু আগেই ভেঙে পড়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে গাছটিকে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহ (রহঃ) এর মাজার হজরত শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহর (রহঃ) মাজার শরীফ শিবগঞ্জ উপজেলার তোহাখানায় অবস্থিত। বারোটি দরওয়াজা বিশিষ্ট চতুঙ্কোনায়তন তাঁর মসাধিটি বারোদুয়ারী নামে প্রসিদ্ধ। দীর্ঘদিন এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের পর হযরত শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহ (রহঃ) ১৬৬৪ মতান্তরে ১৬৬৯ খ্রিঃ ইন্তেকাল করেন। তাঁর জন্ম ও মৃত্যু তারিখ ১লা মহরম। প্রতি বছর ১লা মহরম এখানে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়।

৭১ এর গণ কবর

শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্তের সন্নিকটে ৭১ এর গণকবরটি অবস্থিত। দু’পাশে দশটি করে কুড়িটি গোলাকার ভাবে সাজানো স্তম্ভ এবং তার মাঝখানে বাংলাদেশে পতাকা দিয়ে গণকবরটির উপরে স্মৃতি স্মাারক নির্মিত হয়েছে। পুরোটাই মার্বেল পাথরের প্লেট দিয়ে নির্মিত।

খ্রিস্টানদের উপাসনালয়

জেলায় বসবাসরত খ্রিস্টানদের উপাসনার জন্য যে কয়েকটি গীর্জা রয়েছে এটি সে ববের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এটি গোমস্তাপুর উপজেলার নওদা নামক স্থানে অবস্থিত।

দারসবড়ি মসজিদ

ছোট সোনা মসজিদ ও কোতোয়ালী দরওয়াজার মধ্যবর্তী স্থানে দারসবাড়ি মসজিদ অবস্থিত। ঐতিহাসিক অনুসন্ধানের সময় এখানে প্রপ্ত শিলালিপির ভাষ্য অনুসারে ১৪৭৯ খ্রিঃ সুলতান শামস-উদ-দীন ইউসুফ শাহের রাজত্বকালে তাঁরই আদেশক্রমে এ মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন ৯৯ ফুট ৫ ইঞ্চি x ৩৪ ফুট ৯ ইঞ্চি।

দাফেউল বালা

তোহাখানা সংলগ্ন বিরাট দীঘিটির নাম দাফেউল বালা। কথিত আছে খাস নিয়াতে এ দীঘির পানি পান করলে যে কোন প্রাচীন পীড়া সেরে যায়। বোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত হবার জন্য বহু ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিভিন্ন এ দীঘির পানি ব্যবহার করেন।

শহীদ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর ও মেজর নাজমুলের সমাধি

ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদের সামনের চত্বরে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের দুই বীর সেনানী বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও ৭নং সেক্টরের প্রথম কমাণ্ডার মেজর নাজমুল হকের সমাধি।

জোড়া মঠ

চাঁপাই নাবাবগঞ্জ শহরের হুজরাপুরে দুটো মঠ বা মন্দির পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। অঞ্চলে পাশাপাশি দুটো এধরণের মঠ আর কোথাও দেখা যায় না। তাই এলাকাবাসীর কাছ এটি ‘জোড়ামঠ’ নামে পরিচিত। মঠ দুটোর উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। মঠের ভেতবে লিঙ্গ পুজার মত একটি দণ্ড রয়েছে।

দারসবাড়ি মাদ্‌রাসার ধ্বংমাবশেষ

দারসবাড়ি মসজিদের সন্নিকটে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইটের ইমারতগুলো এককালে একটি মাদ্‌রাসা ছিল বলে ঐতিহাসিক গনের অভিমত। মাদরাসাটি বাংলার সুলতানী আমলের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। দর্স অর্থ পাঠ। পাঠের জন্য তৈরী মাদরাসা ও সংলগ্ন মসজিদ তাই দারসবাড়ি নামে পরিচিত।

রেশম কারখানার বয়লার

ভোলাহাট ইপজেলা রেশমের জন্য বিখ্যাত। রেশম সুতা উৎপাদনের লক্ষ্যে ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানী ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে এই বয়লারটি এখানে স্থাপন করে। মূলত রেশম শিল্পের প্রয়োজনীয় পানি গরম করার কাজে এটি ব্যবহৃত হতো। ৭ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট বেড় বিশিষ্ট লৌহ দ্বারা নির্মিত বয়লারটি রেশম বীজাগার কেন্দ্রের রেস্ট হাউসের পাশে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি নীল উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হত।

পদ্মার বাঁধ

প্রমত্তা পদ্মা-মহনন্দার ভাঙনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রতিবছর ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। হাজার হাজার মানুষ হয় গৃহহারা। এই ভাঙ্গন ও বন্যার হাত থেকে জেলাকে রক্ষার জন্য শুরু হয়েছে পদ্মা বাঁধ নির্মান কাজ। পানি উন্নয়নে বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

খঞ্জন দীঘি

ছোট সোনা মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরপূর্ব কোণে বালিয়াদীঘির পাড়ে ঘেঁষে খনিয়া বাখঞ্জন দীঘির পশ্চিম তীরে এ মসজিদ অবস্থিত। এ মসজিদের দৈর্ঘ্য ৬২ ফুট এবং প্রস্থ ৪২ ফুট নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় এটি ১৫ শতকের মসজিদ।

কানসাটের জমিদার বাড়ি

শিবড়ঞ্জ উপজেলায় কানসাটে অবস্থিত প্রাচীন জমিদার বাড়িটি ‘রাজবাড়ি’ নামে পরিচিত। এখানকার জমিদারদের আদি পুরুষ বগুড়া জেলার অধিবাসী ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁরা কানসাটে বসতি স্থাপন করেন। সূর্যকান্ত, শশীকান্ত ও শীতাংশুকান্ত এই বংশের অধঃস্তন পুরুষ। বাড়ির উপরের টালির ছাদ সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে।

নওদার সত্তট

গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেল ষ্টেশনের এক কিলোমিটার উত্তরে এক বিরাট ঢিবি অবস্থিত। এটি নওদার সত্তপ নামে পরিচিত। তবে এলাকাবাসী ‘ষাঢ়বুরুজ’ নামে অবস্থিত করে থাকেন। অনুমান করা হয় ১২০৪ সালে লক্ষনসেন বখতিয়ার খলজী কর্তৃক গৌড় থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এখানেই অবস্থান করেছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থান

বাংলাদেশের সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থ করার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হরনগর গ্রামর সন্নিকটে (বিশ্বরোডের পার্শ্ববর্তী স্থানে) মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিক্ষেত্র নিধারন করা হয়েছে। জেলার কোন মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হলে তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এখানে সমাধস্থ করা হয়ে থাকে।

দর্শনীয় স্থান

নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান ছোট সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। দারসবাড়ী মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। খঞ্জনদীঘির মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। চামচিকা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তাহখানা কমপ্লেক্স চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তিন গম্বুজ মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন,শিবগঞ্জ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহঃ) ও তাঁর মাজার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। কোতোয়ালী দরওয়াজা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি.। বাস অথবা সিএনজি-তে যাওয়া যায়। প্রায় ৪৫ মি. থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বাবু ডাইং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদর হতে এর দূরত্ব মাত্র ১০ কিঃ মিঃ। পাঁকা রোড থাকায় এখান থেকে রিস্কা, অটো রিস্কা, কার-ম্যাইক্রো, বাস, রিজার্ভ করে যাওয়া যায়। মটর বাইকেও যেতে পারেন। ঝিলিম ইউনিয়ন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ষাঁড়বুরুজ গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে অবস্হিত। রহনপুর বড়বাজার হতে সোজা উত্তরে রহনপুর জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকট রাস্তার ধারে অবস্থিত। গোমস্তাপুর উপজেলা/রহনপুর হতে রিক্সা/ভ্যানযোগে অথবা পদব্রজেও যেতে পারেন। রহনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ঐতিহাসিক আলী শাহপুর মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউয়িনের ২নং ওয়ার্ডের আলীশাহপুর গ্রামে এর অবস্হান। নাচোল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। মোটর সাইকেল/নসিমন/মিশুকে করে যাওয়া যায়। আলীশাহপুর, ফতেপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সুত্র: চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা তথ্য বাতায়ন

webmail
  
View E-gp notice 3/2018-2019
View E-gp Notice- 01/2018-2019
View E-gp Notice- 10/2017-2018
View e-GP Notice 9/2017-2018
View e-GP Notice 8/2017-2018
View e-GP Notice 7/2017-2017
View e-GP Notice 6/2017-2018
View Tree tender
View e-GP Notice 5/2017-2018
View e-GP Notice 4/2017-2018
View e-GP Notice 3/2017-2018
View e-GP Notice 3/2017-2018
View e-GP Notice 2/2017-2018
View Tender-7-2016-2017
View Tender-4-2016-2017
View Tender-3/2016-17
View Tender-2/2016-2017
View Tender-1/2016-2017
View Correction tender 9/2015-16
View Tender 9/2015-2016
View Tender 8/2015-2016
View Tender-7/2015-16
View Tender-6/2015-16
View Tender-5/2015-16
View Tender-4/2015-16
View Tender-3/2015-16
View Tender 1/2015-16

Admin Panel
জেলা পরিষদ কার্যালয়
হুজরাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৬৩০০
ফোন:০৭৮১-৫৩৫০১ (অফিস)
ফ্যাক্স:০৭৮১-৫২৪১৬